Skip to main content

ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো

শুক্রবার
বিকেল ৫ঃ৩০
১৭ মার্চ ২০২০

আমার কম্পিউটারে একটা ফোল্ডার আছে Eid Special নামে। যেখানে Pirates of the Caribbean সিনেমার পাচঁটি পর্বই আছে। এই নামকরণের ঘটনা পরে বলছি আগে সিনেমা নিয়ে বলে নিই।



এই সিনেমার মদ্যপায়ী হেলেদুলে চলা যাকে আপনি নিরেট পাগল বলতে ভুল করবেন না সেই ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো আমার বিসম্ভব প্রিয়। ঠিক কি কারনে তার প্রতি এতো ভালোলাগা তা হয়তো আমি নিজেও জানি না। প্রিয়তমার সামনে যখন কেউ প্রেম নিবেদন করতে গেলে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বোবার মতো দাঁড়িয়ে থাকে ঠিক তেমনি এই সিনেমা নিয়ে বলতে গেলে আমিও বোবা হয়ে যাই। তাই ছবি দিয়ে একটু আধটু বোঝানোর চেষ্টা করছি।

হাহা মদ না পেলে ক্যাপ্টেন এর হাল কিছুটা এমনি হয়



তার জীবনে অনুশোচনা বলতে কোনো শব্দ নেই



তার জলদস্যুতার পেশা নিয়ে সর্বদা গর্ব করে



তার কাছে কোনো সমস্যা সমস্যা না। আসল সমস্যা হলো সে সমস্যাকে কিভাবে দেখছি তাতে।



আহা! বারবার পলায়নের সময় সেই বিখ্যাত উক্তি



আত্মমর্যাদাও আছে মাতালের। তাই তো কেউ ক্যাপ্টেন না বলে শুধু জ্যাক স্প্যারো বললে ক্ষ্যাপে যায়।



উফফ! উইলিয়াম টার্নারকে বলা সেই সেরা উক্তি। শুধু সোনা রুপাই গুপ্তধন হয় না বন্ধু।



আমি কি কোনো পাগলামি করেছি? তারপরও একদল বলবে ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো পাগল।



এলিজাবেথ সোয়ান যুদ্ধে যাবার জন্য মরিয়া। কিন্তু ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারোর ভাষ্য “যদি আপোষে মামলা সামলানো যায় তাহলে যুদ্ধ ক্যান?”



এই ফোল্ডারের নাম ঈদ স্পেশাল দেওয়ার কারণ। এই সিনেমা দেখা আমার কাছে ঈদের মতো আনন্দ দেয়। পাগলামীর জন্য বন্ধু মহলে কেউ কেউ জ্যাক স্প্যারো নামে ডাকে। ছোট ছোট এমন অনেক ঘটনা আছে এই সিনেমাকে ঘিরে। পৃথিবী শেষপ্রান্তে বসে কেউ যদি বলে তোমার কাছে একটা ২ঘন্টা আছে তুমি কি করব্বে? আমি সোজা গিয়ে এই মাতালকে দেখতে বসে যাব। আর কিচ্চু করব না।

Comments

Popular posts from this blog

প্রথম ইউটিউব ভিডিও যেমন হওয়া উচিৎ

একজন ইউটিউবারে প্রথম ভিডিও স্পেশাল হওয়া উচিত। চাকুরির প্রথমদিন স্পেশাল হওয়া উচিত। প্রিয়তমার প্রথম সাক্ষাত স্পেশাল হওয়া উচিত। প্রথম বেতনে কেনা জিনিসটিও স্পেশাল হওয়া উচিত। আসলে আমাদের প্রথম যে কোনো কিছুই স্পেশাল বা বিশেষ হওয়া উচিত কারণ এটি প্রথম এখান থেকেই শুরু… ব্রিটিশ আমেরিকান মোটিভেশনাল স্পিকার ও লেখক সাইমন সিনেকের " Start With Why "  বইটি পড়েছিলাম। সেখানে সাইমন সিনেক স্টিভ জবসের এ্যপল থেকে শুরু করে রাইট ভ্রাতাদ্বয়ের বিমান উড়ানো নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তিনি W-H-W অর্থ্যাত What How Why ফর্মুলা বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেছিলেন যে দুনিয়ার যত কোম্পানি/স্টার্টাপ বা বিজনেস সেরা ও সফল হয়েছে তাদের মূলে ছিলো  'কেন'।  প্রোডাক্ট বা  কি  সবাই বিক্রি করে, মোটামুটি সবারই   কিভাবে  বা বিজনেস স্ট্র্যাটেজি একই কিন্তু যারা সফল হয়েছে তাদের সবার  কেন-টা   ভিন্ন ছিলো। ইউটিউবে একটি ভিডিও আপলোড করে সফলতা পাওয়া আষাঢের গল্পের মতো শোনায়। ইউটিউবে সফলতার একমাত্র পথ কন্সিসট্যান্সি বা ধারাবাহিকতা। আপনি দিনক্ষণ মেনে ভিডিও আপলোড করে যান সফলতা আসবে। অনেকে একটি দুইটি তিনটি ভিডিও ...

নিক নেমনামা

মঙ্গলবার রাত ৮ঃ৪৫ ২৮ জানুয়ারী ২০২০ অন্যসব দেশে কি হয় জানি না তবে আমাদের দেশে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যাদের আসল নামের সাথে কোনো ব্যাঙ্গাত্মক নাম নেই। এই ব্যাঙ্গাত্মক ডাকনামের সংস্কৃতির উৎপত্তি কোথায় আমার জানা নেই। আর দুনিয়ায় এমন কিছু মানুষ যারা পথে-ঘাটে, জলে-স্থলে, শহরে-বন্দরে, বন্ধু-গফ যে কোনো জায়গায় ঐ নাম ছাড়া অন্য নামে ডাকে না। স্কুল-কলেজে এমন এক বন্ধু পাবেন যে সবার নামের আকিকা করে থাকে। কলেজে এই রোল আমিও প্লে করছি। অনেকের নাম আমার দেয়া। কিন্তু হুট করে একদিন আমার নামকরণ করা হলো মাইকেল। মুনতাসির থেকে মাইকেল। wtf… ভাই দিবি ভালো নাম দে। কি একটা ক্ষ্যাত নাম দিছিস (সেসময়কার ভাবনা)। কলেজে ক্রিকেট মোটামুটি খেলতাম। ঐসময় অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন ছিলো মাইকেল ক্লার্ক। উহু, সবার সামনে যখন বন্ধুরা এই নামে ডাকত, যখন অকওয়ার্ড ফিল করতাম তখন নিজেকে মিস্টার ক্যাপ্টেন ভেবে কুল থাকার চেষ্টা করতাম। পাগলের সুখ মনে মনে যাকে বলে আরকি। পোস্টারটি আমার করা জ্যাক স্প্যারো ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো পাইরেটস অব দ্য ক্যারাবীয়ান সিরিজ ও ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারোর অনেক বড় ফ্যান আমি। সেই সুব...

কেন বই পড়ি

রবিবার রাত ২ঃ০০ ২৬ জানুয়ারি প্র মথ চৌধুরির কাছে বই পড়া শখটা মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ শখ হলেও তিনি কাউকে শখ হিসেবে বই পড়তে পরামর্শ দিতেন না। কিন্তু আমি যতটুকু বই পড়ি শখের বসেই পড়ি। তবে আমাকে বই পড়তে যে মাহমুদুল শিখিয়েছে তা অস্বীকার করার কোনো অবকাশ নেই। বন্ধু হিসেবে বিচার করবার আগে আমার বিবেক তার এই ঋণের কথা বারবার স্বরণ করিয়ে দেয়। যদ্দুর মনে পড়ে ওর কাছ থেকে নেওয়া রবিনসন ক্রুশ দিয়ে বই পড়া শুরু, তারপর পড়েছিলাম থ্রি কমরেড। এই বইয়ের কাছে জিন্দেগী না মিলেগী দোবারা কিংবা দিল চাহতা হে সিনেমার গল্প ফিকে পড়ে যায়। Photo by  Eliabe Costa  on  Unsplash প্রায় শুনতে পাওয়া যায় মানুষ বই কেনো পড়ে কেনো? ওয়ারেন বাফেট দিনে ৫ থেকে ৬ ঘন্টা ব্যয় করেন ৫টি পত্রিকা এবং অন্তত ৫০০ পৃষ্টার করপোরেট রিপোর্ট, ম্যাগাজিন পড়তে। তো সোজাসাপ্টা উত্তর জ্ঞানার্জনের জন্য। যে কারোরই বই পড়ার মুখ্য উদ্দেশ্য জ্ঞানার্জন। তবে যদি পাল্টা প্রশ্ন আসে যে সাহিত্য পড়ে কেনো? তাহলের এর উত্তরের জন্য দুবার ভাবতে হয়। সাধারনত লাজুক প্রকৃতির মানুষের বই বেশি পড়ে। আবার যারা একবার বই পড়ার মোহে ডুবে যায় তাদের নেশা হয়ে দাঁড়...