মঙ্গলবার
দুপুর ১২ঃ৪০
২৪ মার্চ ২০২০
কোয়ারেন্টাইনে সময় নষ্ট না করে বই পড়ার চেয়ে ভালো কোনো কাজ হতে পারে না। আর এ সময়ে প্রডাক্টিভ থেকে এর সদ্বব্যবহারের জন্য বইটি পড়া শুরু করি। প্রডাক্টিভ থাকার জন্য একজন মুসলিমের অবশ্য পাঠ্য বই। বইয়ের শুরতে পবিত্র কুরআনের একটি আয়াতে চোখ আটকে গেলো। “তার (মানুষের) জন্য তার সম্মুখভাগে ও পশ্চাৎভাগে সার্বক্ষণিক প্রহরী নিযুক্ত রয়েছে, যে আল্লাহর নির্দেশে তাকে (অবধারিত নয় এমন বিপদ থেকে) রক্ষা করে; এবং আল্লাহ কোন জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না যতক্ষণ না তারা নিজ অবস্থা নিজে পরিবর্তন করে; আর আল্লাহ যখন কোন জাতিকে (তাদের কাজের জন্য) শাস্তিদানের ইচ্ছা করেন তখন কেউ তা প্রতিরোধ করতে পারে না, আর তিনি ছাড়া তাদের কোনো অভিভাবক নেই।” - সুরা আর-রা'দ, আয়াত ১১
আল্লাহ আমাদের রক্ষা করবে বলে বুলি আউরানো জাতির জন্য ১৪০০ বছর আগে পবিত্র কুরআনে সুরা আর-রা’দ এর ১১ নম্বর আয়াত নাযিল হয়েছিলো। শুধু আল্লাহ আল্লাহ বলে চিৎকার পারাই আল্লাহর ইবাদত করা নয়। তাঁর বলা প্রতিটা কথার আমল করাও ইবাদত। আমাদের হাটা-চলা, কথা-বার্তা, কাজ-কর্ম এক ধরনের ইবাদত। পরিবারের প্রতি দায়িত্ব, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাও এক ধরনের ইবাদত। মানুষকে বিপদ থেকে রক্ষার জন্য যে দুজন ফেরেস্তা নিযুক্ত আছে তারা আপনি সুইসাইড করতে গেলে বাচাতে আসবে, এটা নিজে থেকে বাচঁতে হবে। আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা রাখা এক কথার আর নির্বোধ হয়ে তাঁর-ই বলা অমান্য করার ধৃষ্টতা দেখানো আরেক কথা। আল্লাহর উপর পূর্ণ বিশ্বাস রেখে আমাদের করোনা মোকাবেলা করতে হবে। সব আল্লাহর উপর ছেড়ে দিলে চলবে না। নিজের, নিজের পরিবারের, সমাজের জন্য হলেও আমাদের সচেতন হতে হবে।
Comments
Post a Comment