বৃহঃস্পতিবার
রাত ১১ঃ১৫
১৯ মার্চ ২০২০
ইন্ট্রোভার্টেরা সাধারনত একাকী থাকতে বেশী পছন্দ করে। চুপচাপ, নির্জন, কম কথা বলা একজন ইন্ট্রোভার্ট বা অন্তর্মুখীর সহজাত গুন। আর এই কারনেই তারা নিজেদের নিয়ে ভাবতে বেশি সময় পায়। তাই এরা লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন কিংবা আইসোলেটেড থাকা নিয়ে অতোটা চিন্তিত না।
করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে গত ১০ মার্চ ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে আসি। সেই থেকে মোটামুটি নির্জনে নিভৃতে বাস করতেছি। নিজেই নিজেকে লকডাউন করে ফেলছি। এই করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা আগে থেকে আচঁ করতে পেরে নিজে এবং পরিবারের সবাই সচেতন অবস্থানে ছিলাম। আমি ইন্ট্রোভার্ট বলে এভাবে থাকতে খুব একটা কষ্ট হচ্ছে না। বই পড়ে ইন্টারনেট চালিয়ে সময় কেটে যাচ্ছে। কিন্তু অন্য সবার কি অবস্থা ভেবেই গা শিউরে উঠে। আজকে প্রথম মাদারীপুরের শিবচর লকডাউন করেছে, গাড়ি চলাচল বন্ধ।
অন্য দেশের বন্ধুরা তাদের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করছে। এছাড়া সোসাল মিডিয়ায় যা কিছু দেখছি তাতে মনে হয় আগামী ২/৩ মাস বাজে রকমের খারাপ কাটবে। আর এই ভয়াবহতা যে করোনা ভাইরাস গেলেই কেটে উঠতে পারব তা ভাবাটা ভুল। চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে দেশ। শুধু বাংলাদেশই না পুরো বিশ্বেরই একই চিত্র। আমাদের দেশের সরকার অন্তত দুই মাসের বেশী সময় পেয়েছিলো প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য। কি করেছে আর কি করে নি তা মন্ত্রী মহাদয়ের বক্তব্যেই স্পষ্ট। আর এ সংকট কিভাবে উতরাই উঠবে সেটাই এখন ভাববার বিষয়।
Comments
Post a Comment