রবিবার
রাত ১১ঃ০০
১লা মার্চ ২০২০
জার্নালিং বা ডায়েরি লেখা কলেজে উঠে শুরু করি। আর জীবনের লক্ষ্য কিংবা যে কোনো ধরনের লক্ষ্য ডায়েরিতে লেখে রাখার খুব একটা অভ্যাস ছিলো না। তবে ডায়েরীতে লিখতাম, কি করছি করতেছি কিংবা করার ইচ্ছা আছে। নিয়মিত না তবে মাঝে মাঝে লিখতাম। কলেজে থাকা অবস্থায় শেখা এই একটি অভ্যাস আমার পরবর্তীতে অনেক উপকারে এসেছে।
কথিত আছে, আপনি যদি আপনার ইচ্ছার কথা নির্দিষ্ট করে ডায়েরীতে লিখে রাখেন তবে তা ৪০% এর বেশী সম্ভবনা থাকে পূরণ হওয়ার। এর পেছনে সায়েন্স কিংবা সাইকোলজী কি কাজ করে আমার জানা নেই। কিন্তু আমি এই ইচ্ছা বা লক্ষ্যের বেপারে শুধু ডায়েরীতে না লিখে একধাপ এগিয়ে মান্থলি লাইফ ট্র্যাক করেছি। আমি অগোছালো মানুষ তাই প্রতিদিন করাটা কষ্টের হয়ে যায়। আর এই ১০ মিনিটের কাজ টুকু করে আমি নিজে আগের চেয়ে ৩গুন বেশি কিছু অর্জন করেছি।
আমি কোনো রকেট সায়েন্স কিছু করি নাই। শুধু মাসের এক তারিখে একটা সাদা পৃষ্ঠার উপরে মাসের নাম লিখে ডুডল আর্টের হালকা একটা ডিজাইন করে দিয়েছি। দেখতে ভালো লাগে, আর কিছু একটা শিখেছি তার সদব্যবহারও করলাম আরকি। যাকগে যা বলছিলাম, মাসের নাম লিখে আমি আমার লক্ষ্যকে তিন ভাগে ভাগ করেছি। একটা হ-য-ব-র-ল এখানে সব কিছুই থাকবে, দ্বিতীয়টা আমি এই এক মাসে কি কি টপিকে ভিডিও করব(ইউটিউব), আর শেষে এই মাসে কোন কোন বই পড়ব। এভাবে তিনটি ভাগে ভাগ করে আগামী এক মাসে কি করতে পারি আমার সামর্থানুযায়ী তা লিখে ফেলি। আর মাস শেষে গিয়ে তা চেক করি যে আমি কতটুকু সফল হয়েছি। গত মাসে যেমন ছিলো ফেব্রুয়ারী মাসের ২৯ দিনের মধ্যে অন্তত ২০দিন ব্লগে লিখব, আবার টেডক্স টকে উপস্থিত হব, আবার অন্তত ৬টি বই পড়ব। যদিও আমার প্রতিশ্রুতি কখনো অর্ধেকে গিয়েও পৌছায়নি, তবুও মাসে যেখানে সর্বোচ্চ ২টি বই পড়াতাম সেখানে এখন ৪/৫টা করে পড়তে পারি। গতমাসে ২০টি ব্লগ পোস্ট করে পারে নি কিন্তু ১৯টি করেছি। আবার অন্যান্য সব কাজ না লিখে রাখলে ভুলে যেতাম, এখন এই পেরা মাথায় নিয়ে ঘুরতে হয় যে এটা মাস শেষের আগে শেষ করতে হবে।
এই ট্র্যাকিং মাসে মাসে করি। প্রতিদিন করতে পারলে আমি নিজেকে কতটুকু প্রডাক্টিভ করতে পারব ভেবে কুল পাই না। আমি নিজেকে আগামী ৫ বছরে যা কিছু করতে চাই তা চাইলেই এক থেকে দু বছরের মধ্যে করে ফেলতে পারব। কথায় আছে, "ইচ্ছা থাকিলে উপায় হয়।" আসলে ইচ্ছা এমনিতে হয় না, এভাবে লিখে রাখলে মাথায়;পেরা নিয়ে ঘুরলে হয়। আর উপায় তো ৪০% বেশি হচ্ছেই লিখে রেখে। সাথে বোনাস যদি ট্রাকিং করি তাহলে তার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়।
রাত ১১ঃ০০
১লা মার্চ ২০২০
জার্নালিং বা ডায়েরি লেখা কলেজে উঠে শুরু করি। আর জীবনের লক্ষ্য কিংবা যে কোনো ধরনের লক্ষ্য ডায়েরিতে লেখে রাখার খুব একটা অভ্যাস ছিলো না। তবে ডায়েরীতে লিখতাম, কি করছি করতেছি কিংবা করার ইচ্ছা আছে। নিয়মিত না তবে মাঝে মাঝে লিখতাম। কলেজে থাকা অবস্থায় শেখা এই একটি অভ্যাস আমার পরবর্তীতে অনেক উপকারে এসেছে।
![]() |
| Photo by Estée Janssens on Unsplash |
আমি কোনো রকেট সায়েন্স কিছু করি নাই। শুধু মাসের এক তারিখে একটা সাদা পৃষ্ঠার উপরে মাসের নাম লিখে ডুডল আর্টের হালকা একটা ডিজাইন করে দিয়েছি। দেখতে ভালো লাগে, আর কিছু একটা শিখেছি তার সদব্যবহারও করলাম আরকি। যাকগে যা বলছিলাম, মাসের নাম লিখে আমি আমার লক্ষ্যকে তিন ভাগে ভাগ করেছি। একটা হ-য-ব-র-ল এখানে সব কিছুই থাকবে, দ্বিতীয়টা আমি এই এক মাসে কি কি টপিকে ভিডিও করব(ইউটিউব), আর শেষে এই মাসে কোন কোন বই পড়ব। এভাবে তিনটি ভাগে ভাগ করে আগামী এক মাসে কি করতে পারি আমার সামর্থানুযায়ী তা লিখে ফেলি। আর মাস শেষে গিয়ে তা চেক করি যে আমি কতটুকু সফল হয়েছি। গত মাসে যেমন ছিলো ফেব্রুয়ারী মাসের ২৯ দিনের মধ্যে অন্তত ২০দিন ব্লগে লিখব, আবার টেডক্স টকে উপস্থিত হব, আবার অন্তত ৬টি বই পড়ব। যদিও আমার প্রতিশ্রুতি কখনো অর্ধেকে গিয়েও পৌছায়নি, তবুও মাসে যেখানে সর্বোচ্চ ২টি বই পড়াতাম সেখানে এখন ৪/৫টা করে পড়তে পারি। গতমাসে ২০টি ব্লগ পোস্ট করে পারে নি কিন্তু ১৯টি করেছি। আবার অন্যান্য সব কাজ না লিখে রাখলে ভুলে যেতাম, এখন এই পেরা মাথায় নিয়ে ঘুরতে হয় যে এটা মাস শেষের আগে শেষ করতে হবে।
এই ট্র্যাকিং মাসে মাসে করি। প্রতিদিন করতে পারলে আমি নিজেকে কতটুকু প্রডাক্টিভ করতে পারব ভেবে কুল পাই না। আমি নিজেকে আগামী ৫ বছরে যা কিছু করতে চাই তা চাইলেই এক থেকে দু বছরের মধ্যে করে ফেলতে পারব। কথায় আছে, "ইচ্ছা থাকিলে উপায় হয়।" আসলে ইচ্ছা এমনিতে হয় না, এভাবে লিখে রাখলে মাথায়;পেরা নিয়ে ঘুরলে হয়। আর উপায় তো ৪০% বেশি হচ্ছেই লিখে রেখে। সাথে বোনাস যদি ট্রাকিং করি তাহলে তার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়।

Comments
Post a Comment