মঙ্গলবার
রাত ১১ঃ৩০
২৫ ফেব্রুয়ারী
মাস ছয়েক আগে রকমারীতে বই দেখতেছিলাম; এসময় মুনির হাসান স্যারের বইগুলো সামনে আসে। স্যারকে নিয়ে অনেক জ্ঞানালাপের সময় বন্ধু জিতুও আমার কথায় সায় দিতেছিলো যে মুনির হাসানের মতো স্যার হয় না। আর ওর কাছেই প্রথম জানতে পারি উনি আমাদের ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সিএসসি ডিপার্টমেন্টের ফ্যাকাল্টি। আগে শুধু তাকে গনিত অলিম্পিয়ার্ডের প্রেসিডেন্ট ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে কিছু করেন আর ভালো ব্লগ লিখেন।
আমাদের মোটামোটি সবারই স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটিতে একজন প্রিয় স্যার থাকেন। আমারও ছিলো স্কুলে, কলেজে এবং ভার্সিটিতেও(!) তাদের ক্লাস করব বলে ক্লাসে যেতাম, মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে তাদের লেকচারগুলো শুনতাম। স্কুল কলেজ একটা সহনীয় পর্যায়ে আছে কিন্তু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কি পড়ায় আর কেন পড়ায় এর রহস্য আমার জানা নেয়। সত্যি বলতে শিক্ষার্থীদের কেউ পড়াশুনা মনে রাখে না; তবে যারা পড়ায় তাদের আজীবন মনে রাখে।
তেমনি মনে রাখার মতো একজন শিক্ষক ও গুরু হলেন মুনির হাসান স্যার। আমি সরাসরি কোনোদিন তাঁর ক্লাশ করিনি। ইউটিউবে একটি ভিডিও দেখার পর উনার নাম লিখে গুগলে সার্চ করলে উনার মুনিরহাসান ডট কম ব্লগের লিংক পাই। সেখানে প্রায় প্রতিদিন তাঁর লেখাগুলো পড়তাম। যতই পড়তাম ততই পড়াতে মন চাইত। পড়তে পড়তে একদিন সাধ জাগলো উনার সম্পর্কে জানার। ব্লগের এবাউট সেকশনে বেশি কিছু লেখা ছিলো না। তাই আবার আমার বন্ধু গুগলের সরনাপন্ন হতে হলো। অল্পকিছু জানলাম।
যদিও উনাকে কখনো কাছে থেকে দেখি নি তবুও উনাকে একটু বেশিই ভালো লাগার অনেকগুলো কারণের মধ্যে প্রধান কারণ হলো উনার চেহারা-সুরত কথা-বার্তা আচার-আচারণ আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক রুহুল আমিন স্যারের মতো। মুনির হাসান স্যারের বই ও ব্লগ পড়তে ভালোলাগার কারণ হলো উনি উনার লিখার যে টোনগুলো ব্যবহার করেন তা সচারাচর লেখকেরা করে না। উনার স্পিচ শুনলে ও লেখাগুলো পড়লে মনেহয় উনি ক্লাশে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলছেন।
খুব কম শিক্ষক আছেন যারা সত্যিকারের পড়াশুনা করান এবং শিক্ষার্থীদের কাছে আসতে পারেন। নতুবা অন্যরা তো এটেন্ডেন্স নিতে ক্লাসে আসেন।
রাত ১১ঃ৩০
২৫ ফেব্রুয়ারী
মাস ছয়েক আগে রকমারীতে বই দেখতেছিলাম; এসময় মুনির হাসান স্যারের বইগুলো সামনে আসে। স্যারকে নিয়ে অনেক জ্ঞানালাপের সময় বন্ধু জিতুও আমার কথায় সায় দিতেছিলো যে মুনির হাসানের মতো স্যার হয় না। আর ওর কাছেই প্রথম জানতে পারি উনি আমাদের ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সিএসসি ডিপার্টমেন্টের ফ্যাকাল্টি। আগে শুধু তাকে গনিত অলিম্পিয়ার্ডের প্রেসিডেন্ট ও উদ্যোক্তাদের নিয়ে কিছু করেন আর ভালো ব্লগ লিখেন।
আমাদের মোটামোটি সবারই স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটিতে একজন প্রিয় স্যার থাকেন। আমারও ছিলো স্কুলে, কলেজে এবং ভার্সিটিতেও(!) তাদের ক্লাস করব বলে ক্লাসে যেতাম, মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে তাদের লেকচারগুলো শুনতাম। স্কুল কলেজ একটা সহনীয় পর্যায়ে আছে কিন্তু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কি পড়ায় আর কেন পড়ায় এর রহস্য আমার জানা নেয়। সত্যি বলতে শিক্ষার্থীদের কেউ পড়াশুনা মনে রাখে না; তবে যারা পড়ায় তাদের আজীবন মনে রাখে।
তেমনি মনে রাখার মতো একজন শিক্ষক ও গুরু হলেন মুনির হাসান স্যার। আমি সরাসরি কোনোদিন তাঁর ক্লাশ করিনি। ইউটিউবে একটি ভিডিও দেখার পর উনার নাম লিখে গুগলে সার্চ করলে উনার মুনিরহাসান ডট কম ব্লগের লিংক পাই। সেখানে প্রায় প্রতিদিন তাঁর লেখাগুলো পড়তাম। যতই পড়তাম ততই পড়াতে মন চাইত। পড়তে পড়তে একদিন সাধ জাগলো উনার সম্পর্কে জানার। ব্লগের এবাউট সেকশনে বেশি কিছু লেখা ছিলো না। তাই আবার আমার বন্ধু গুগলের সরনাপন্ন হতে হলো। অল্পকিছু জানলাম।
যদিও উনাকে কখনো কাছে থেকে দেখি নি তবুও উনাকে একটু বেশিই ভালো লাগার অনেকগুলো কারণের মধ্যে প্রধান কারণ হলো উনার চেহারা-সুরত কথা-বার্তা আচার-আচারণ আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক রুহুল আমিন স্যারের মতো। মুনির হাসান স্যারের বই ও ব্লগ পড়তে ভালোলাগার কারণ হলো উনি উনার লিখার যে টোনগুলো ব্যবহার করেন তা সচারাচর লেখকেরা করে না। উনার স্পিচ শুনলে ও লেখাগুলো পড়লে মনেহয় উনি ক্লাশে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলছেন।
খুব কম শিক্ষক আছেন যারা সত্যিকারের পড়াশুনা করান এবং শিক্ষার্থীদের কাছে আসতে পারেন। নতুবা অন্যরা তো এটেন্ডেন্স নিতে ক্লাসে আসেন।


Comments
Post a Comment