শনিবার
সন্ধ্যা ৭ঃ০০
২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০
সিজনটাই অসুস্থের। যেখানেই খোঁজ খবর নিই প্রতি দশজনে সাত-আট জন অসুস্থ। বেশির ভাগেরই জ্বর-সর্দি। দিনে গরম রাতে শীত, আবহাওয়ার পরিবর্তনের জন্য এই সমস্যা সম্ভবত। আমার শরীরটাও ভালো যাচ্ছে না। কেমন যেন উশখুশ লাগতেছে, কোনো কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছি না।
সুস্থতা আল্লাহ সুবহান ওয়া তায়ালা অনেক বড় নিয়ামত। একজন অসুস্থ ব্যক্তিই জানে সুস্থতার মর্ম। আবার অসুস্থতাও আল্লাহ তাআলার অনেক বড় নিআমত। অসুস্থতা দেহের যাকাত স্বরূপ। এর দ্বারা শরীর গুনাহমুক্ত হয়, পাক-পবিত্র হয়। হাদিসে এসেছে, "দুটি নিআমতের ক্ষেত্রে অনেক মানুষ ধোঁকার মধ্যে রয়েছে : ১. সুস্থতা ২. অবসর।" -সহীহ বুখারী, হাদীস ৬৪২২
একটি স্বাভাবিক জীবনাতিবাহিত করতে সুস্থ দেহ ও সুস্থ মন এর গুরুত্ব অনেক। আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য দুটোই সুস্থ-স্বাভাবিক হওয়া জরুরী। একটি অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্যটি নিয়ে টানা পড়ন শুরু হয়ে যায়। মানসিকভাবে আপনি যতই শক্তিশালী হউন না কেনো শারীরিক অসুস্থতার ফলে বেশিরভাগ মানুষ ভেঙ্গে পড়ে। আবার মানসিক দুর্বলতার ফলে কোনো কাজে মন বসে না ফলে ধীরে ধীরে একজন মানুষ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। ইসলাম ধর্মে বলা প্রতিটি দিক নির্দেশনা আমাদের মানসিক ও শারীরিকভাবে শক্তিশালী করে। আমরা অধিকাংশ সময়ই ভুলে যাই যে, আমাদের শারীরিক শক্তি ও সুস্থতা নিজের ক্ষমতাবলে পাওয়া নয়; বরং তা আল্লাহর দান। এবং আমাদের সফলতা ও অসফলতা একমাত্র আল্লাহর হাতে। এভাবে একজন প্রকৃত মুমিন মানসিকভাবে শক্তিশালী হয় এবং হতাশায় নিমজ্জিত হয় না। ইসলামে হতাশা বলতে কোনো শব্দই নেই।
শারীরিক সুস্থতার ছোট্ট একটা উদাহরণ দিই, ইউএস নেভী সীলের কমান্ডারদের লাইফস্ট্যাইলকে সবচেয়ে স্মার্ট ও শক্তিশালী বলে মানা হয়। তাদের নিয়ে ইউটিউব ব্যাখ্যাসহ অনেক ভিডিও আছে। তবে আপনি যদি লক্ষ্য করেন তাহলে বুঝতে পারবেন তাদের লাইফস্ট্যাইল ইসলামী জীবন ব্যবস্থার সাথে অনেকাংশে মিলে যায়। প্রথমত তাদের সব কাজই রুটিন মাফিক এবং তারা সময়মত সবকিছু করে। যেটা ইসলামের পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের সাথে মিলে যায়। তারা প্রমাণ করেছে ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠা একজন মানুষের জন্য কতটা উপকারী। আর ফজরের নামায পড়া একজন মুসলিমের জন্য ফরজ কাজ। ইসলাম কখনো অলসতাকে প্রশ্রয় দেয় না এবং নামায মেডিটেশন ও শারীরিক কসরতের মধ্যে পড়ে।
অন্য ধর্মের বেপারে জানি না তবে আমি নিজে ইসলামী জীবন যাপন করে এর ফল পেয়েছি। নিজেকে কখনো প্রকৃত মুসলিম বলে দাবী করি না তবে চেষ্টা করি ইসলামকে মেনে চলার।
সন্ধ্যা ৭ঃ০০
২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০
সিজনটাই অসুস্থের। যেখানেই খোঁজ খবর নিই প্রতি দশজনে সাত-আট জন অসুস্থ। বেশির ভাগেরই জ্বর-সর্দি। দিনে গরম রাতে শীত, আবহাওয়ার পরিবর্তনের জন্য এই সমস্যা সম্ভবত। আমার শরীরটাও ভালো যাচ্ছে না। কেমন যেন উশখুশ লাগতেছে, কোনো কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছি না।
![]() |
| Photo by Jose Ibarra on Unsplash |
একটি স্বাভাবিক জীবনাতিবাহিত করতে সুস্থ দেহ ও সুস্থ মন এর গুরুত্ব অনেক। আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য দুটোই সুস্থ-স্বাভাবিক হওয়া জরুরী। একটি অসুস্থ হয়ে পড়লে অন্যটি নিয়ে টানা পড়ন শুরু হয়ে যায়। মানসিকভাবে আপনি যতই শক্তিশালী হউন না কেনো শারীরিক অসুস্থতার ফলে বেশিরভাগ মানুষ ভেঙ্গে পড়ে। আবার মানসিক দুর্বলতার ফলে কোনো কাজে মন বসে না ফলে ধীরে ধীরে একজন মানুষ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। ইসলাম ধর্মে বলা প্রতিটি দিক নির্দেশনা আমাদের মানসিক ও শারীরিকভাবে শক্তিশালী করে। আমরা অধিকাংশ সময়ই ভুলে যাই যে, আমাদের শারীরিক শক্তি ও সুস্থতা নিজের ক্ষমতাবলে পাওয়া নয়; বরং তা আল্লাহর দান। এবং আমাদের সফলতা ও অসফলতা একমাত্র আল্লাহর হাতে। এভাবে একজন প্রকৃত মুমিন মানসিকভাবে শক্তিশালী হয় এবং হতাশায় নিমজ্জিত হয় না। ইসলামে হতাশা বলতে কোনো শব্দই নেই।
শারীরিক সুস্থতার ছোট্ট একটা উদাহরণ দিই, ইউএস নেভী সীলের কমান্ডারদের লাইফস্ট্যাইলকে সবচেয়ে স্মার্ট ও শক্তিশালী বলে মানা হয়। তাদের নিয়ে ইউটিউব ব্যাখ্যাসহ অনেক ভিডিও আছে। তবে আপনি যদি লক্ষ্য করেন তাহলে বুঝতে পারবেন তাদের লাইফস্ট্যাইল ইসলামী জীবন ব্যবস্থার সাথে অনেকাংশে মিলে যায়। প্রথমত তাদের সব কাজই রুটিন মাফিক এবং তারা সময়মত সবকিছু করে। যেটা ইসলামের পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের সাথে মিলে যায়। তারা প্রমাণ করেছে ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠা একজন মানুষের জন্য কতটা উপকারী। আর ফজরের নামায পড়া একজন মুসলিমের জন্য ফরজ কাজ। ইসলাম কখনো অলসতাকে প্রশ্রয় দেয় না এবং নামায মেডিটেশন ও শারীরিক কসরতের মধ্যে পড়ে।
অন্য ধর্মের বেপারে জানি না তবে আমি নিজে ইসলামী জীবন যাপন করে এর ফল পেয়েছি। নিজেকে কখনো প্রকৃত মুসলিম বলে দাবী করি না তবে চেষ্টা করি ইসলামকে মেনে চলার।

Comments
Post a Comment