Skip to main content

BE MY EYES

বুধবার
রাত ১১ঃ০০
২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ধানমন্ডি ৩২ নাম্বারে বসে আশিক নাহিদের সাথে চা খাচ্ছিলাম। হঠাত আশিক তড়িঘড়ি করে বলে ইয়ারফোন আছে। ভিডিও কল আসছে কথা বলবে। এ কথা বলতেই ফোন কেটে যায়। পাত্তা দিই নাই, এমন কি কল আসতেই পারে। আশিক বলল এই এপটা ফোনে ইন্সটল করে নাও। কাজে দিবে, তারপর সে বলল কোত্থেকে কল আসছিলো আর কলটা কতটা জরুরী ছিলো।

Photo by Rene Böhmer on Unsplash
টমস ডট কম জুতোর দোকান। টমসের দোকান থেকে আপনি যদি একজোড়া জুতা কেনেন তাহলে একই দামের আর এক জোড়া জুতা আর্জেন্টিনার কোনো জুতাহীন লোককে দেওয়া হয়। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে গড়ে উঠেছে মাত্র এক টাকায় আহার! বাংলার পথে পথে এক টাকায় এক প্যাকেট খাবারে এই আহার চলে খোলা আকাশের নীচে কিংবা স্টেশনের প্লাটফর্মে। এঁদের কেউ অভুক্ত থাকে সারারাত, কেউবা আরো বেশি। 

দেশে বিদেশে এমন আরও অনেক সেচ্ছাসেবী প্রকল্প আছে যারা সত্যিকার্থে প্রশংসনীয় কাজ করে যাচ্ছে। বলছিলাম ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঘটনা, কলটি এসেছিলো "BE MY EYES" এপ থেকে। এপটি খুবই ছোট্ট কিন্তু মিনিংফুল পো ইম্প্যাক্টফুল আইডিয়া থেকে তৈরি করা হয়েছে। যারা চোখে কম দেখে বা অন্ধ তাদের জন্য। তাদের যেখানে চলতে সমস্যা বা কোনো কিছু ঠিকভাবে দেখতে পাচ্ছে না, তারা সেখান থেকে ভিডিও কলের মাধ্যমে এপটিতে রেজিস্টার্ড যে কোনো ভলেন্টিয়ারের সাহায্য নিয়ে পথ চলতে পারবে।

BE MY EYES
এপটিতে আমি ভলেন্টিয়ার হিসেবে রেজিস্টার করেছি। আপনিও করতে পারেন আর ঘরে বসে ৩/৪মিনিট বা তারও কম সময় খরচ করে কারো উপকার করলেন। এপটি প্লেস্টোরে পাবেন, সেখান থেকে সরাসরি ইন্সটল করে নিতে পারেন। 

Comments

Popular posts from this blog

প্রথম ইউটিউব ভিডিও যেমন হওয়া উচিৎ

একজন ইউটিউবারে প্রথম ভিডিও স্পেশাল হওয়া উচিত। চাকুরির প্রথমদিন স্পেশাল হওয়া উচিত। প্রিয়তমার প্রথম সাক্ষাত স্পেশাল হওয়া উচিত। প্রথম বেতনে কেনা জিনিসটিও স্পেশাল হওয়া উচিত। আসলে আমাদের প্রথম যে কোনো কিছুই স্পেশাল বা বিশেষ হওয়া উচিত কারণ এটি প্রথম এখান থেকেই শুরু… ব্রিটিশ আমেরিকান মোটিভেশনাল স্পিকার ও লেখক সাইমন সিনেকের " Start With Why "  বইটি পড়েছিলাম। সেখানে সাইমন সিনেক স্টিভ জবসের এ্যপল থেকে শুরু করে রাইট ভ্রাতাদ্বয়ের বিমান উড়ানো নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তিনি W-H-W অর্থ্যাত What How Why ফর্মুলা বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেছিলেন যে দুনিয়ার যত কোম্পানি/স্টার্টাপ বা বিজনেস সেরা ও সফল হয়েছে তাদের মূলে ছিলো  'কেন'।  প্রোডাক্ট বা  কি  সবাই বিক্রি করে, মোটামুটি সবারই   কিভাবে  বা বিজনেস স্ট্র্যাটেজি একই কিন্তু যারা সফল হয়েছে তাদের সবার  কেন-টা   ভিন্ন ছিলো। ইউটিউবে একটি ভিডিও আপলোড করে সফলতা পাওয়া আষাঢের গল্পের মতো শোনায়। ইউটিউবে সফলতার একমাত্র পথ কন্সিসট্যান্সি বা ধারাবাহিকতা। আপনি দিনক্ষণ মেনে ভিডিও আপলোড করে যান সফলতা আসবে। অনেকে একটি দুইটি তিনটি ভিডিও ...

নিক নেমনামা

মঙ্গলবার রাত ৮ঃ৪৫ ২৮ জানুয়ারী ২০২০ অন্যসব দেশে কি হয় জানি না তবে আমাদের দেশে এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যাদের আসল নামের সাথে কোনো ব্যাঙ্গাত্মক নাম নেই। এই ব্যাঙ্গাত্মক ডাকনামের সংস্কৃতির উৎপত্তি কোথায় আমার জানা নেই। আর দুনিয়ায় এমন কিছু মানুষ যারা পথে-ঘাটে, জলে-স্থলে, শহরে-বন্দরে, বন্ধু-গফ যে কোনো জায়গায় ঐ নাম ছাড়া অন্য নামে ডাকে না। স্কুল-কলেজে এমন এক বন্ধু পাবেন যে সবার নামের আকিকা করে থাকে। কলেজে এই রোল আমিও প্লে করছি। অনেকের নাম আমার দেয়া। কিন্তু হুট করে একদিন আমার নামকরণ করা হলো মাইকেল। মুনতাসির থেকে মাইকেল। wtf… ভাই দিবি ভালো নাম দে। কি একটা ক্ষ্যাত নাম দিছিস (সেসময়কার ভাবনা)। কলেজে ক্রিকেট মোটামুটি খেলতাম। ঐসময় অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন ছিলো মাইকেল ক্লার্ক। উহু, সবার সামনে যখন বন্ধুরা এই নামে ডাকত, যখন অকওয়ার্ড ফিল করতাম তখন নিজেকে মিস্টার ক্যাপ্টেন ভেবে কুল থাকার চেষ্টা করতাম। পাগলের সুখ মনে মনে যাকে বলে আরকি। পোস্টারটি আমার করা জ্যাক স্প্যারো ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো পাইরেটস অব দ্য ক্যারাবীয়ান সিরিজ ও ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারোর অনেক বড় ফ্যান আমি। সেই সুব...

কেন বই পড়ি

রবিবার রাত ২ঃ০০ ২৬ জানুয়ারি প্র মথ চৌধুরির কাছে বই পড়া শখটা মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ শখ হলেও তিনি কাউকে শখ হিসেবে বই পড়তে পরামর্শ দিতেন না। কিন্তু আমি যতটুকু বই পড়ি শখের বসেই পড়ি। তবে আমাকে বই পড়তে যে মাহমুদুল শিখিয়েছে তা অস্বীকার করার কোনো অবকাশ নেই। বন্ধু হিসেবে বিচার করবার আগে আমার বিবেক তার এই ঋণের কথা বারবার স্বরণ করিয়ে দেয়। যদ্দুর মনে পড়ে ওর কাছ থেকে নেওয়া রবিনসন ক্রুশ দিয়ে বই পড়া শুরু, তারপর পড়েছিলাম থ্রি কমরেড। এই বইয়ের কাছে জিন্দেগী না মিলেগী দোবারা কিংবা দিল চাহতা হে সিনেমার গল্প ফিকে পড়ে যায়। Photo by  Eliabe Costa  on  Unsplash প্রায় শুনতে পাওয়া যায় মানুষ বই কেনো পড়ে কেনো? ওয়ারেন বাফেট দিনে ৫ থেকে ৬ ঘন্টা ব্যয় করেন ৫টি পত্রিকা এবং অন্তত ৫০০ পৃষ্টার করপোরেট রিপোর্ট, ম্যাগাজিন পড়তে। তো সোজাসাপ্টা উত্তর জ্ঞানার্জনের জন্য। যে কারোরই বই পড়ার মুখ্য উদ্দেশ্য জ্ঞানার্জন। তবে যদি পাল্টা প্রশ্ন আসে যে সাহিত্য পড়ে কেনো? তাহলের এর উত্তরের জন্য দুবার ভাবতে হয়। সাধারনত লাজুক প্রকৃতির মানুষের বই বেশি পড়ে। আবার যারা একবার বই পড়ার মোহে ডুবে যায় তাদের নেশা হয়ে দাঁড়...