শনিবার
দুপুর ২ঃ০০
২৫ জানুয়ারী ২০২০
ফেসবুকে প্রতি দশটা পোস্টের মধ্যে একটা পোস্ট পাওয়া যাবে ইন্ট্রোভার্টদের নিয়ে। আমি ইন্ট্রোভার্ট আমার এই সমস্যা, আমি অন্তর্মুখী আমার সাথে ওটা হয়েছে। মার্ক জাকারবার্গ, এমা ওয়াটসন, ওয়ারেন বাফেট, এলন মাস্কও অন্তর্মুখী, তাদের জীবনেও অনেক সমস্যা আছে। আপনি বা আমি একা নই এই বেড়াজালে।
আমার বন্ধুর সংখ্যা হাতে গুনে শেষ করতে পারব। আপনি একজন অন্তর্মুখী হলে আপনিও পারবেন। আমাকে ভিড়-ভাট্টা ভালো লাগে না, আপনি একজন অন্তর্মুখী হলে আপনারও একা থাকা পছন্দ হওয়ার কথা। তবে একজন অন্তর্মুখী হওয়ায় আমাকে ভাই ভেবে ভুল করবেন না। সব অন্তর্মুখী বা ইন্ট্রোভার্টেরা এক হয় না। অভিধানের ভাষায় কোনো এক অর্থ প্রকাশ করলেও অন্তর্মুখীর ব্যপকতা এর থেকে আরও অনেক বেশি। কিন্তু সামাজিক জীবনে সব অন্তর্মুখীদের মোটামুটি একই ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। এই সমস্যাগুলো এক একজন একেক ভাবে সমাধান করেছে। আমিও একটু ভিন্ন পথে হেঁটে এর সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব।
বিখ্যাত হ্যারি পটার সিনেমার অভিনেত্রী এমা ওয়াটসন একজন ইন্ট্রোভার্ট। সে অন্যসব হলিউড সেলিব্রেটিদের মতো পার্টি করে না। তাঁর ইন্সটাগ্রাম প্রফাইল দেখলে জানতে পারবেন তিনি প্রচুর বই পড়েন। ইলন মাস্কের জীবনী থেকে জানা যায় এলন ছোটবেলা থেকে প্রচুর বই পড়তেন। তাঁর দিনের বেশিরভাগ সময় কাটত পাব্লিক লাইব্রেরিতে। কথিত আছে যে শুধুমাত্র তাঁর জন্য লাইব্রেরি গুলোতে নতুন বই আনতে হত। ইলন মাস্ক এতো পরিমান পড়তেন যে একদিন দুটো বই পড়ে ফেলতেন। ওয়ারেন বাফেট দিনে ৫ থেকে ৬ ঘন্টা ব্যয় করেন ৫টি পত্রিকা এবং অন্তত ৫০০ পৃষ্টার করপোরেট রিপোর্ট, ম্যাগাজিন পড়তে। মার্ক জাকারবার্গ প্রতি দুই সপ্তাহে অন্তত একটি বই পড়েন ও বিল গেইটস প্রতি বছর ৫০টি বই পড়েন। তো আপনি যদি একজন অন্তর্মুখী হোন তবে আপনার প্রথম পছন্দ বই পড়া হওয়া উচিত।
মহাত্মা গান্ধী বিলে থেকে ডাক্তারি পড়ে এসে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চল গুলো ঘুরে বেরিয়েছেন। আব্রাহাম লিংকনও একই কাজ করেছিলেন। চে গেভারা তো মোটরসাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছিলেন। আপনি একজন অন্তর্মুখী হলে ভ্রমন আপনার অবসরে সময় কাটানোর তালিকায় রাখতে পারেন। একা একা ঘুরতে এক অন্য রকম সুখ পাওয়া যায়। আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর গবেষনাগারে দিনে ১০ ঘন্টা সময় দিতেন। এদিকে নিকোলা টেসলা ৫ ঘন্টা সময় নিতেন বিশ্রামের জন্য বাকি ১৯ ঘন্টা গবেষনা করতেন। আর এলন মাস্ক সপ্তাহে ১২০ ঘন্টা অর্থ্যাত দিনে ১৭ ঘন্টা কাজ করেন।
এখন প্রশ্ন আসে আপনি একজন ইন্ট্রোভার্ট হয়ে কি কাজ করবেন। উপরে তো কয়েকটি কমন আইডিয়া দিলাম। আবার আপনি চাইলে ঘরে বসে কোনো এক বিষয়ে নিজের স্কিল ডেভলপ করতে পারেন। অনলাইনে সার্চ করলে অনেক কোর্স পাবেন। আপনার আগ্রহানুযায়ী শিখে ফেলতে পারেন। মার্ক জাকারবার্গ হার্ভাডের ডোমরুমে বসে কোড করতেন। আপনার প্রোগ্রামিং প্রতি আসক্তি থাকলে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখে নিতে পারেন। বা এলন মাস্কের মতো সাইন্স-ফিকশন বই পড়ে সাইন্স প্রজেক্ট করতে পারেন। মার্ক জাকারবার্গ কোড করত বলে যে আপনাকে কোড করতে হবে বা ওয়ারেন বাফেটের মতো দৈনিক ৫টা পত্রিকা পড়তে হবে এমনটা নয়। উপরে আগেই বলেছি সব ইন্ট্রোভার্ট এক হয় না। আপনি আপনার আকাঙ্ক্ষা থেকে আপনার জন্য সেরা কাজটি বেছে নিবেন। তবে বই পড়ার বিকল্প কিছু নেই।
স্টেফেন হকিংস এর একটা কথা দিয়ে শেষ করব, “Quiet people have the loudest minds.” তো এটাকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করুন।
দুপুর ২ঃ০০
২৫ জানুয়ারী ২০২০
ফেসবুকে প্রতি দশটা পোস্টের মধ্যে একটা পোস্ট পাওয়া যাবে ইন্ট্রোভার্টদের নিয়ে। আমি ইন্ট্রোভার্ট আমার এই সমস্যা, আমি অন্তর্মুখী আমার সাথে ওটা হয়েছে। মার্ক জাকারবার্গ, এমা ওয়াটসন, ওয়ারেন বাফেট, এলন মাস্কও অন্তর্মুখী, তাদের জীবনেও অনেক সমস্যা আছে। আপনি বা আমি একা নই এই বেড়াজালে।
আমার বন্ধুর সংখ্যা হাতে গুনে শেষ করতে পারব। আপনি একজন অন্তর্মুখী হলে আপনিও পারবেন। আমাকে ভিড়-ভাট্টা ভালো লাগে না, আপনি একজন অন্তর্মুখী হলে আপনারও একা থাকা পছন্দ হওয়ার কথা। তবে একজন অন্তর্মুখী হওয়ায় আমাকে ভাই ভেবে ভুল করবেন না। সব অন্তর্মুখী বা ইন্ট্রোভার্টেরা এক হয় না। অভিধানের ভাষায় কোনো এক অর্থ প্রকাশ করলেও অন্তর্মুখীর ব্যপকতা এর থেকে আরও অনেক বেশি। কিন্তু সামাজিক জীবনে সব অন্তর্মুখীদের মোটামুটি একই ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। এই সমস্যাগুলো এক একজন একেক ভাবে সমাধান করেছে। আমিও একটু ভিন্ন পথে হেঁটে এর সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব।
বিখ্যাত হ্যারি পটার সিনেমার অভিনেত্রী এমা ওয়াটসন একজন ইন্ট্রোভার্ট। সে অন্যসব হলিউড সেলিব্রেটিদের মতো পার্টি করে না। তাঁর ইন্সটাগ্রাম প্রফাইল দেখলে জানতে পারবেন তিনি প্রচুর বই পড়েন। ইলন মাস্কের জীবনী থেকে জানা যায় এলন ছোটবেলা থেকে প্রচুর বই পড়তেন। তাঁর দিনের বেশিরভাগ সময় কাটত পাব্লিক লাইব্রেরিতে। কথিত আছে যে শুধুমাত্র তাঁর জন্য লাইব্রেরি গুলোতে নতুন বই আনতে হত। ইলন মাস্ক এতো পরিমান পড়তেন যে একদিন দুটো বই পড়ে ফেলতেন। ওয়ারেন বাফেট দিনে ৫ থেকে ৬ ঘন্টা ব্যয় করেন ৫টি পত্রিকা এবং অন্তত ৫০০ পৃষ্টার করপোরেট রিপোর্ট, ম্যাগাজিন পড়তে। মার্ক জাকারবার্গ প্রতি দুই সপ্তাহে অন্তত একটি বই পড়েন ও বিল গেইটস প্রতি বছর ৫০টি বই পড়েন। তো আপনি যদি একজন অন্তর্মুখী হোন তবে আপনার প্রথম পছন্দ বই পড়া হওয়া উচিত।
মহাত্মা গান্ধী বিলে থেকে ডাক্তারি পড়ে এসে দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চল গুলো ঘুরে বেরিয়েছেন। আব্রাহাম লিংকনও একই কাজ করেছিলেন। চে গেভারা তো মোটরসাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছিলেন। আপনি একজন অন্তর্মুখী হলে ভ্রমন আপনার অবসরে সময় কাটানোর তালিকায় রাখতে পারেন। একা একা ঘুরতে এক অন্য রকম সুখ পাওয়া যায়। আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর গবেষনাগারে দিনে ১০ ঘন্টা সময় দিতেন। এদিকে নিকোলা টেসলা ৫ ঘন্টা সময় নিতেন বিশ্রামের জন্য বাকি ১৯ ঘন্টা গবেষনা করতেন। আর এলন মাস্ক সপ্তাহে ১২০ ঘন্টা অর্থ্যাত দিনে ১৭ ঘন্টা কাজ করেন।
এখন প্রশ্ন আসে আপনি একজন ইন্ট্রোভার্ট হয়ে কি কাজ করবেন। উপরে তো কয়েকটি কমন আইডিয়া দিলাম। আবার আপনি চাইলে ঘরে বসে কোনো এক বিষয়ে নিজের স্কিল ডেভলপ করতে পারেন। অনলাইনে সার্চ করলে অনেক কোর্স পাবেন। আপনার আগ্রহানুযায়ী শিখে ফেলতে পারেন। মার্ক জাকারবার্গ হার্ভাডের ডোমরুমে বসে কোড করতেন। আপনার প্রোগ্রামিং প্রতি আসক্তি থাকলে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ শিখে নিতে পারেন। বা এলন মাস্কের মতো সাইন্স-ফিকশন বই পড়ে সাইন্স প্রজেক্ট করতে পারেন। মার্ক জাকারবার্গ কোড করত বলে যে আপনাকে কোড করতে হবে বা ওয়ারেন বাফেটের মতো দৈনিক ৫টা পত্রিকা পড়তে হবে এমনটা নয়। উপরে আগেই বলেছি সব ইন্ট্রোভার্ট এক হয় না। আপনি আপনার আকাঙ্ক্ষা থেকে আপনার জন্য সেরা কাজটি বেছে নিবেন। তবে বই পড়ার বিকল্প কিছু নেই।
স্টেফেন হকিংস এর একটা কথা দিয়ে শেষ করব, “Quiet people have the loudest minds.” তো এটাকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করুন।


Comments
Post a Comment